বাংলা - সূরা আন-নাবা - পবিত্র কুরআন

পবিত্র কুরআন » বাংলা » সূরা আন-নাবা

Choose the reader


বাংলা

সূরা আন-নাবা - Verses Number 50
وَالْمُرْسَلَاتِ عُرْفًا ( 1 ) আন-নাবা - Ayaa 1
কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ,
فَالْعَاصِفَاتِ عَصْفًا ( 2 ) আন-নাবা - Ayaa 2
সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথ,
وَالنَّاشِرَاتِ نَشْرًا ( 3 ) আন-নাবা - Ayaa 3
মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ
فَالْفَارِقَاتِ فَرْقًا ( 4 ) আন-নাবা - Ayaa 4
মেঘপুঞ্জ বিতরণকারী বায়ুর শপথ এবং
فَالْمُلْقِيَاتِ ذِكْرًا ( 5 ) আন-নাবা - Ayaa 5
ওহী নিয়ে অবতরণকারী ফেরেশতাগণের শপথ-
عُذْرًا أَوْ نُذْرًا ( 6 ) আন-নাবা - Ayaa 6
ওযর-আপত্তির অবকাশ না রাখার জন্যে অথবা সতর্ক করার জন্যে।
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَوَاقِعٌ ( 7 ) আন-নাবা - Ayaa 7
নিশ্চয়ই তোমাদেরকে প্রদত্ত ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে।
فَإِذَا النُّجُومُ طُمِسَتْ ( 8 ) আন-নাবা - Ayaa 8
অতঃপর যখন নক্ষত্রসমুহ নির্বাপিত হবে,
وَإِذَا السَّمَاءُ فُرِجَتْ ( 9 ) আন-নাবা - Ayaa 9
যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,
وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ ( 10 ) আন-নাবা - Ayaa 10
যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং
وَإِذَا الرُّسُلُ أُقِّتَتْ ( 11 ) আন-নাবা - Ayaa 11
যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,
لِأَيِّ يَوْمٍ أُجِّلَتْ ( 12 ) আন-নাবা - Ayaa 12
এসব বিষয় কোন দিবসের জন্যে স্থগিত রাখা হয়েছে?
لِيَوْمِ الْفَصْلِ ( 13 ) আন-নাবা - Ayaa 13
বিচার দিবসের জন্য।
وَمَا أَدْرَاكَ مَا يَوْمُ الْفَصْلِ ( 14 ) আন-নাবা - Ayaa 14
আপনি জানেন বিচার দিবস কি?
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 15 ) আন-নাবা - Ayaa 15
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
أَلَمْ نُهْلِكِ الْأَوَّلِينَ ( 16 ) আন-নাবা - Ayaa 16
আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি?
ثُمَّ نُتْبِعُهُمُ الْآخِرِينَ ( 17 ) আন-নাবা - Ayaa 17
অতঃপর তাদের পশ্চাতে প্রেরণ করব পরবর্তীদেরকে।
كَذَٰلِكَ نَفْعَلُ بِالْمُجْرِمِينَ ( 18 ) আন-নাবা - Ayaa 18
অপরাধীদের সাথে আমি এরূপই করে থাকি।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 19 ) আন-নাবা - Ayaa 19
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
أَلَمْ نَخْلُقكُّم مِّن مَّاءٍ مَّهِينٍ ( 20 ) আন-নাবা - Ayaa 20
আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি থেকে সৃষ্টি করিনি?
فَجَعَلْنَاهُ فِي قَرَارٍ مَّكِينٍ ( 21 ) আন-নাবা - Ayaa 21
অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সংরক্ষিত আধারে,
إِلَىٰ قَدَرٍ مَّعْلُومٍ ( 22 ) আন-নাবা - Ayaa 22
এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত,
فَقَدَرْنَا فَنِعْمَ الْقَادِرُونَ ( 23 ) আন-নাবা - Ayaa 23
অতঃপর আমি পরিমিত আকারে সৃষ্টি করেছি, আমি কত সক্ষম স্রষ্টা?
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 24 ) আন-নাবা - Ayaa 24
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ كِفَاتًا ( 25 ) আন-নাবা - Ayaa 25
আমি কি পৃথিবীকে সৃষ্টি করিনি ধারণকারিণীরূপে,
أَحْيَاءً وَأَمْوَاتًا ( 26 ) আন-নাবা - Ayaa 26
জীবিত ও মৃতদেরকে?
وَجَعَلْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ شَامِخَاتٍ وَأَسْقَيْنَاكُم مَّاءً فُرَاتًا ( 27 ) আন-নাবা - Ayaa 27
আমি তাতে স্থাপন করেছি মজবুত সুউচ্চ পর্বতমালা এবং পান করিয়েছি তোমাদেরকে তৃষ্ণা নিবারণকারী সুপেয় পানি।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 28 ) আন-নাবা - Ayaa 28
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
انطَلِقُوا إِلَىٰ مَا كُنتُم بِهِ تُكَذِّبُونَ ( 29 ) আন-নাবা - Ayaa 29
চল তোমরা তারই দিকে, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।
انطَلِقُوا إِلَىٰ ظِلٍّ ذِي ثَلَاثِ شُعَبٍ ( 30 ) আন-নাবা - Ayaa 30
চল তোমরা তিন কুন্ডলীবিশিষ্ট ছায়ার দিকে,
لَّا ظَلِيلٍ وَلَا يُغْنِي مِنَ اللَّهَبِ ( 31 ) আন-নাবা - Ayaa 31
যে ছায়া সুনিবিড় নয় এবং অগ্নির উত্তাপ থেকে রক্ষা করে না।
إِنَّهَا تَرْمِي بِشَرَرٍ كَالْقَصْرِ ( 32 ) আন-নাবা - Ayaa 32
এটা অট্টালিকা সদৃশ বৃহৎ স্ফুলিংগ নিক্ষেপ করবে।
كَأَنَّهُ جِمَالَتٌ صُفْرٌ ( 33 ) আন-নাবা - Ayaa 33
যেন সে পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 34 ) আন-নাবা - Ayaa 34
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
هَٰذَا يَوْمُ لَا يَنطِقُونَ ( 35 ) আন-নাবা - Ayaa 35
এটা এমন দিন, যেদিন কেউ কথা বলবে না।
وَلَا يُؤْذَنُ لَهُمْ فَيَعْتَذِرُونَ ( 36 ) আন-নাবা - Ayaa 36
এবং কাউকে তওবা করার অনুমতি দেয়া হবে না।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 37 ) আন-নাবা - Ayaa 37
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
هَٰذَا يَوْمُ الْفَصْلِ ۖ جَمَعْنَاكُمْ وَالْأَوَّلِينَ ( 38 ) আন-নাবা - Ayaa 38
এটা বিচার দিবস, আমি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে একত্রিত করেছি।
فَإِن كَانَ لَكُمْ كَيْدٌ فَكِيدُونِ ( 39 ) আন-নাবা - Ayaa 39
অতএব, তোমাদের কোন অপকৌশল থাকলে তা প্রয়োগ কর আমার কাছে।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 40 ) আন-নাবা - Ayaa 40
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي ظِلَالٍ وَعُيُونٍ ( 41 ) আন-নাবা - Ayaa 41
নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে ছায়ায় এবং প্রস্রবণসমূহে-
وَفَوَاكِهَ مِمَّا يَشْتَهُونَ ( 42 ) আন-নাবা - Ayaa 42
এবং তাদের বাঞ্ছিত ফল-মূলের মধ্যে।
كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ( 43 ) আন-নাবা - Ayaa 43
বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার বিনিময়ে তৃপ্তির সাথে পানাহার কর।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ( 44 ) আন-নাবা - Ayaa 44
এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 45 ) আন-নাবা - Ayaa 45
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
كُلُوا وَتَمَتَّعُوا قَلِيلًا إِنَّكُم مُّجْرِمُونَ ( 46 ) আন-নাবা - Ayaa 46
কাফেরগণ, তোমরা কিছুদিন খেয়ে নাও এবং ভোগ করে নাও। তোমরা তো অপরাধী।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 47 ) আন-নাবা - Ayaa 47
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ارْكَعُوا لَا يَرْكَعُونَ ( 48 ) আন-নাবা - Ayaa 48
যখন তাদেরকে বলা হয়, নত হও, তখন তারা নত হয় না।
وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ( 49 ) আন-নাবা - Ayaa 49
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
فَبِأَيِّ حَدِيثٍ بَعْدَهُ يُؤْمِنُونَ ( 50 ) আন-নাবা - Ayaa 50
এখন কোন কথায় তারা এরপর বিশ্বাস স্থাপন করবে?

বই

  • যিলহজ, ঈদ ও কোরবানিযিলহজ মাসের প্রথম দশক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ দশকে এবাদত-বন্দেগির তুলনায় আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় অন্য কোনো কাল ও সময় নেই মর্মে হাদিসে এসেছে। আরাফা দিবস মাগফেরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তিলাভের শ্রেষ্ঠ দিবস, যে দিবসের রোজা বিগত ও আগত এক বছরের পাপের কাফফারা। এ দিবসটিও যিলহজ মাসের প্রথম দশকেই অবস্থিত। ইয়াউমুন নাহর, যা হাদিসের ভাষ্যানুযায়ী সমধিক মহিমান্বিত দিবস, যিলহজের প্রথম দশকেই অবস্থিত। বড় ঈদ ও কোরবানি এ দশকেই স্থান পেয়েছে, এবং উভয়টারই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন আহকাম। আমাদের বর্তমান রচনাটি উল্লিখিত সবকটি বিষয়কেই আলোচনায় এনেছে যথার্থভাবে। রচনাটি পাঠকবৃন্দের উপকারে আসবে বলে আমাদের আশা।

    সংকলন : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান

    সম্পাদক : নুমান বিন আবুল বাশার

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/60461

    Download :যিলহজ, ঈদ ও কোরবানিযিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

  • সংক্ষিপ্ত হজ উমরা ও যিয়ারতসংক্ষিপ্ত হজ্জ উমরা ও যিয়ারত: এ গ্রন্থখানিতে হজ উমরা ও যিয়ারত সংক্রান্ত কাজসমূহের দলীলভিত্তিক আলোচনা স্থান পেয়েছে। সর্ব-সাধারণের উপযোগী করে সহজ করে রচনা করা হয়েছে। এটি মূলত কয়েকজন গবেষকের সম্মিলিত প্রচেষ্টার সংক্ষিপ্ত রূপ। এ গবেষকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন, ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া-গবেষক ও সম্পাদক হিসেবে এবং নুমান আবুল বাশার, ড. এটি এম ফখরুদ্দীন ও আলী হাসান তৈয়ব। তারা এ গবেষণা কর্মটি করার পেছনে যথেষ্ট শ্রম দিয়েছেন। তাছাড়া ড. আবদুল জলীল- যিনি ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের একজন গবেষকও – তিনি গ্রন্থটি আদ্যোপান্ত ভাষাগত দিকগুলো সম্পাদনা করেছেন। গ্রন্থটি সম্পর্কে আমরা এটুকু বলতে পারি যে, বাংলাভাষায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন এবং এ সংক্রান্ত সবচেয়ে সুন্দর গ্রন্থ।

    সংকলন : নুমান বিন আবুল বাশার - আলী হাসান তৈয়ব - এ টি এম ফখরুদ্দীন

    সম্পাদক : আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/373500

    Download :সংক্ষিপ্ত হজ উমরা ও যিয়ারতসংক্ষিপ্ত হজ উমরা ও যিয়ারত

  • অন্তর বিধ্বংসী বিষয়: আসক্তিলেখকের ভাষায়: আসক্তি ও আসক্তির আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে কথা বলা বর্তমান যুগে প্রতিটি নর নারীর জন্য অতি জরুরি। বিশেষ করে বর্তমান যুগে, যেখানে আসক্তি-উত্তেজনা ও এর প্রভাব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আসক্তি কি? আসক্তিকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে? নিষিদ্ধ আসক্তিতে পতিত হওয়ার কারণগুলো কি? আসক্তির চিকিৎসা কি? এ বিষয়গুলোই আমরা এ কিতাবে আলোচনা করব।

    সংকলন : মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ

    সম্পাদক : আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

    অনুবাদক : জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/380279

    Download :অন্তর বিধ্বংসী বিষয়: আসক্তিঅন্তর বিধ্বংসী বিষয়: আসক্তি

  • আকীদার মানদণ্ডে তাবীজঅত্র কিতাবে কুরআন ও হাদীসের দৃষ্টি তাবীযের বিধান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

    সংকলন : আলী বিন নুফাই আল- উলইয়ানী - আলী বিন নুফাই আল উলয়ানী

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/173304

    Download :আকীদার মানদণ্ডে তাবীজআকীদার মানদণ্ডে তাবীজ

  • সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার: একটি ভূমিকামানুষের একটি অনিবার্য বৈশিষ্টের নাম চিন্তা। চিন্তা ছাড়া কোন মানবীয় অস্তিত্ব সম্ভব নয়। মূলত চিন্তাই মানুষকে অন্যান্য সৃষ্ট-প্রাণী থেকে আলাদা করে দিয়েছে। স্বাভাবিক কোন মানুষই চিন্তাহীন থাকতে পারে না। তবে চিন্তাকে সৃজনশীল কায়দায় ব্যবহার করতে পারলে অর্জন করা যায় অকল্পিত ফলাফল। বক্ষ্যমাণ পুস্তিকায় সঠিক পদ্ধতিতে কীভাবে চিন্তাবৃত্তিকে ব্যবহার করা সম্ভব তা বর্ণনা করার চেষ্টা করা হয়েছে।

    সংকলন : নুমান বিন আবুল বাশার

    সম্পাদক : কাউসার বিন খালিদ - আলী হাসান তৈয়ব

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/217231

    Download :সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার: একটি ভূমিকাসৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার: একটি ভূমিকা